A/C Holder:
A/C No.:
IFSC:
Bank Name:
Branch:
Dr. Nabiul Alam
3131XXX6136
SBINXXX1296
State Bank Of india
Jalpaiguri
SCAN N PAY
প্রতিনিয়ত সবাই ভেসে চলেছে সময়ের স্রোতে।তাই সবার জীবনে,সময়ের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। সময়মতো সঠিক কাজ এবং সঠিক পরিকল্পনা অনুসরণ করে,একজন ব্যক্তি,তার জীবনে সবসময় একটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে,সাফল্যের চরম শিখরে পৌঁছে যেতে পারে। জীবনে ভালো ও খারাপ সময়, বার-বার ঘুরে-ফিরে আসে এবং সবাই সবসময় ভালো থাকতে চায়। ঈশ্বর বিশ্বাসীরা থাকেন,সবসময় ভালো থাকার প্রার্থনায় এবং মানবিক মূল্যবোধ যাদের মধ্যে থাকে, তারা জানেন যে ঈশ্বর বসবাস করেন,মানুষের মনের মধ্যে। যখন বিশেষ কোনো মানুষের মধ্যে,মানব-দরদী মানসিকতা,সক্রিয়ভাবে বিরাজমান হয়,যখন কোনো মানুষ স্বার্থ-হীন ভাবে বিভিন্ন মানুষের উপকার করেন, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের বিভিন্ন ভাবে সাহায্য করেন,তখন সেই মানুষকে অন্য-সব মানুষ, তাদের নিরাশার অন্ধকারময় জীবনে,আশার আলো মনে করেন। দুঃস্থদের দু্র্ভাগ্যের চার-দেওয়ালের, কোনো চিলি ফাটলের মধ্যে, সেই আশার আলো প্রবেশ করে কোনো না কোনো একটা সময়। আর সেই আলো দেখিয়ে ভালোর পথ দেখিয়ে দেন,কোনো একজন মানবদরদী,তারপর তিনি হয়ে যান, আলোর পথের দিশারী।সাধারণ মানুষ তখন তাকে বলেন 'আশার আলো'। ঈশ্বরের দূত হয়ে তিনি তখন ভালো-মন্দ সবসময়ই মানুষের পাশে থাকেন।তাঁর নান্দনিক সৃজনশীল গঠনমূলক চিন্তা,সবার স্বপ্ন পূরণে সাহায্য করে।সময়ের সাথী হয়ে তিনি যেন সবাইকে,নতুন করে বাঁচতে শেখান।পরবর্তীতে তিনি মানুষের কাছে হয়ে ওঠেন,সময়সাথী আশার আলো 'রবিনহুড'। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের,জলপাইগুড়ি জেলার, ময়নাগুড়ি থানার অন্তর্ভুক্ত, সাপটিবাড়ি গ্ৰামে ঠিক এমনই একজন মানুষ-দরদী মানুষ আছেন।সাধারণ মানুষ যাকে 'রবিনহুড' নামকরণ করেছেন।ওনার আসল নাম 'নবিউল আলম'।যিনি তাঁর জীবনের পঞ্চাশ বছরের জন্মদিন উপলক্ষে,একটা গোটা গ্ৰামের লোকজনের,সারাজীবনের ভরণ-পোষণের দায়িত্ব তুলে নিয়েছেন নিজের কাঁধে। তাঁর গ্ৰামের আশেপাশের প্রত্যন্ত এলাকায় কোনো হাসপাতাল বা কোনো সুষ্ঠু চিকিৎসা ব্যবস্থা ছিল না।গ্ৰামের খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের জন্য তিনি দিয়েছেন বিনামূল্যে এম্বুলেন্স পরিষেবা।ক্ষুধার্তদের মুখে তুলে দিয়েছেন অন্ন।দিয়েছেন নতুন বস্ত্র।শীতের রাতে লুকিয়ে কম্বল বিতরণ করেছেন।তিনি কখনো প্রচারের আলোয় আসতে চাননি।পরবর্তীতে সাধারণ মানুষ তাঁকে ঠিক চিনেছেন এবং বড্ড ভালোবেসে 'রবিনহুড' বলে ডাকেন। শ্রদ্ধেয় 'নবিউল আলম' মহাশয়ের জন্ম ...... সালে ... তারিখে। তাঁর বাবার নাম.... মায়ের নাম.... । মানুষের দুঃখ কষ্টে সমব্যথী হয়েছেন একেবারে ছোট বেলা থেকেই।জ্ঞান হওয়ার পর থেকেই তিনি পরের দুঃখে কাতর হয়ে পড়তেন। এ যেন বিধাতার বিধান করাই ছিল! ঈশ্বর যেন স্বয়ং তাকে এই দুঃখ-গ্ৰস্ত ধরা-ধামে পাঠিয়েছেন,মানুষের সহায় হওয়ার জন্য!ছোটবেলায় ছোট্ট নবিউল তার ছোট্ট-ছোট্ট হাত দিয়ে গরীব মানুষদের হাতে সাহায্য তুলে দিতেন।এভাবেই তাঁর মা ও বাবার সুশিক্ষায় দিয়ে বড় হয়ে উঠলেন সঙ্গে চললো তাঁর পড়াশোনা। শ্রদ্ধেয় নবিউল আলম মহাশয়ের পড়াশোনা শুরু গ্ৰামের প্রাইমারী স্কুলে তারপর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক উত্তীর্ণ হয়েই, শুরু করেন সক্রিয়ভাবে মানব সেবা।শ্রদ্ধেয় নবিউল আলমের বাবা ছিলেন একজন চিকিৎসক,সেই সুবাদে বহু স্থানীয় মানুষ চিকিৎসার জন্য ওনার দ্বারস্থ হতেন।তখন সদ্য-যুবা নবিউল, বাবার সাথে হাত হাত মিলিয়ে রোগীদের যত্ন নিতেন।ইতিমধ্যে তিনি রপ্ত করেছেন ইনজেকশন দেওয়া,স্যালাইন দেওয়ার পদ্ধতি এবং তারসাথে কোন রোগের কি লক্ষণ এবং তার জন্য প্রদেয় সমস্ত ওষুধের নাম। একদিকে পুরোদমে চলছে মানব সেবা।তার সাথেই অর্থ উপার্জন হেতু তিনি ঠিকাদারি কাজ শুরু করেন।তারপর সেখান থেকে কিছু উপার্জন করে সেই টাকায় শুরু করেন আরো অন্য একটি ব্যবসা।পরবর্তীতে নার্সারি বা চারাগাছের ব্যবসাটি অত্যন্ত লাভজনক হয়।মানব-দরদী নবিউল যা উপার্জন করতেন তার প্রায় অর্ধেক দান করে দিতেন গরীব-দুঃখীদের উদ্দেশ্যে।এরপর তিনি লক্ষ্য করেন যে পরবর্তীতে যত বেশী দান করেছেন ব্যবসায় ততই উন্নতি করেছেন!নিজে দায়িত্ব নিয়ে,তাঁর দুই বোনের বিয়ে দিয়েছেন ভালো পাত্রের সঙ্গে।পরবর্তীতে নিজেও বিয়ে করছেন এক সুন্দরী-সুশিক্ষিতাকে।পরবর্তীতে ওনার স্ত্রী,শ্রীমতী পিংকি এবং একমাত্র পুত্র তানবীর,তাঁর সব কাজেই যথেষ্ট সাপোর্টিভ হয়েছেন। পরবর্তীতে তিনি পেয়ে যান রেশন-ডিলারশীপ সেখান থেকেও উপার্জন করতে থাকেন।তারপর একটি লরী কেনেন শুরু হয় আরো একটি নতুন ব্যবসা। এতে কর্মসংস্থানের বন্দোবস্ত হয় গ্ৰামের গরীব খেটে খাওয়া মানুষের।পরবর্তীতে গৃহস্থালীর জন্য নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দোকান সহ আরো বেশ কয়েকটি ব্যবসা তিনি একসাথে চালাতে থাকেন।ওনার অধীনে আজ প্রায় হাজার খানেক মানুষ কাজ পেয়েছন,স্থায়ী রোজগার করছেন। এখন তিনি জলপাইগুড়ি জেলার একজন স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী।রাজ্য ও দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও তিনি জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।প্রায় বারোটি দেশে তিনি পেয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক হিসেবে অনন্য সম্মান।শ্রদ্ধেয় নবিউল আলম আমাদের দেশের গর্ব। ওনার মতো উদার মন যদি একশো জন জনগণের মধ্যে একজনেরও হয় তাহলেই হয়তো দেশটাই বদলাতে বাধ্য হবে।বাড়বে দেশের মান- মর্যাদা। সাধারণ মানুষের তিনি যদি আদর্শ হয়ে ওঠেন তাহলে সমাজের সকল স্তরের মানুষ একসাথে সুখে-স্বাচ্ছন্দ্যে থাকবে। কথায় বলে যে সময়ের সঠিক ব্যবহার জীবনকে সাফল্যের দিকে নিয়ে যায়।শ্রদ্ধেয় নবিউল আলম মহাশয়ের জীবন যাপন তার সঠিক উদাহরণ। সময়ের অপরিসীম গুরুত্ব বুঝে সাধারণ তাই তাঁকে সময়-সাথী বলে চিহ্নিত করেছেন।তিনি তাই আজ তাঁর সুচিন্তিত জীবন-যাপনের মাধ্যমে 'গরীবের রবিনহুড' নামে বিখ্যাত। ভবিষ্যতে তিনি আরো অনেক বেশি জনকল্যাণ কর কাজ করতে ইচ্ছুক।তার ধর্ম-নিরপেক্ষ মানসিকতা মানুষের মন জয় করেছে।তার অরাজনৈতিক মনোভাব অর্থাৎ কোনো রাজনৈতিক দলকে সক্রিয়ভাবে প্রাধান্য না দেওয়া মানুষের নজর কেড়েছে।কোনো স্বার্থ ছাড়াই নিরীহ অসহায় মানুষের উপকার করা,জনগণের সেবামূলক কাজে ব্রতী হয়ে আজ তিনি হয়ে উঠেছেন উদারতার উজ্জ্বল উদাহরণ।সবশেষে বলি....বর্তমান সময়ে আমাদের সমাজে, এইরূপ সময়সাথী আশার আলো প্রদান কারী মানুষের খুব প্রয়োজন।আসুন আমরা সবাই তাঁর আদর্শে পথ চলা শুরু করি।
Nice Initiative
Dr. Nabiul doing a great job.
Proactively procrastinate cross-platform results via extensive ideas distinctively underwhelm enterprise. Compellingly plagiarize value-added sources with inexpensive schemas.
Learn how to get helpLorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipisicing elit, sed do eiusmod tempor incididunt ut labore et dolore magna aliqua.
Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipisicing elit, sed do eiusmod tempor incididunt ut labore et dolore magna aliqua.
Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipisicing elit, sed do eiusmod tempor incididunt ut labore et dolore magna aliqua.
Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipisicing elit, sed do eiusmod tempor incididunt ut labore et dolore magna aliqua.